বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৯:০৪ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম :
ছয় মাস পর ৬ সিটি করপোরেশনের কাজের মূল্যায়ন করবেন প্রধানমন্ত্রী সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে মাদকবিরোধী অভিযানের ঘটনায় ৪ পুলিশ সদস্য ক্লোজড ‘কৃষি কার্ডের মাধ্যমে সরাসরি সহায়তা পৌঁছাবে কৃষকের কাছে’ শিলমান্দী ইউনিয়ন নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে আলোচনায় তরুণ প্রবাসী নেতা মো. রাসেল মিয়া সাংবাদিকদের ওয়েজবোর্ড সমস্যার দ্রুত সমাধান করা হবে: তথ্যমন্ত্রী বাঙালির আবেগের মাস, ভাষার মাস ফেব্রুয়ারি নবনির্বাচিত এমপি আনু: সিংড়ায় শান্তি ফিরিয়ে আনবো রমজান উপলক্ষে ৩ হাজার ২৯৬ বন্দিকে মুক্তি দিলো আরব আমিরাত ‘হাড় না ভাঙা’ পর্যন্ত স্ত্রীকে মারতে পারবে স্বামী, আফগানিস্তানে নতুন আইন প্রধানমন্ত্রীকে ট্রাম্পের অভিনন্দন, বাণিজ্যচুক্তি বাস্তবায়নের আশা
কর্মী মারা গেলে পাবেন ১০ লাখ, ঘোষণা চেয়ারম্যানের

কর্মী মারা গেলে পাবেন ১০ লাখ, ঘোষণা চেয়ারম্যানের

নিজস্ব প্রতিবেদক: ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনে প্রতিপক্ষের সঙ্গে সহিংসতায় জড়িয়ে কোনো সমর্থক যদি মারা যান তবে তাঁর পরিবারকে ১০ লাখ টাকা দেওয়া হবে বলে ঘোষণা দিয়েছেন এক চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী। রীতিমতো ইনস্যুরেন্স কম্পানির মতো করে ঘোষণা দেওয়া হয়েছে, হাসপাতালে গেলে চিকিত্সা ও সংসার খরচের দায়িত্ব নেবেন ওই প্রার্থী।

মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখান উপজেলার বাসাইল ইউনিয়নের বর্তমান চেয়ারম্যান ও আসন্ন নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনয়নপ্রত্যাশী সাইফুল ইসলাম যুবরাজ। ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক কর্মকাণ্ড শুরুর আগেই তিনি গত ২৫ ও ২৬ অক্টোবর নিজ বাড়িতে কর্মীদের সঙ্গে এক বৈঠক করেন তিনি। বৈঠকে ঘোষণা করেন, যদি নির্বাচনে প্রতিপক্ষের সঙ্গে সহিংসতায় জড়িয়ে কোনো সমর্থক মারা যান তাহলে তাঁর পরিবারকে ১০ লাখ টাকা দেওয়া হবে। পাশাপাশি হাসপাতালে গেলে চিকিত্সা ও সংসার খরচের দায়িত্ব নেবেন ওই প্রার্থী। গতকাল বুধবার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তাঁর এ বক্তব্যের একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়ে।

ভিডিওতে দেখা যায়, চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী সাইফুল ইসলাম বলেছেন, ‘আমার নির্বাচন করতে গিয়ে যদি কোনো কর্মী মারা যান, তাঁর পরিবারকে ১০ লাখ টাকা দেওয়া হবে। আর যদি খুনাখুনি-বাইড়াবাইড়ি করে হাসপাতালে ভর্তি থাকেন, তাহলে আমি সম্পূর্ণ খরচ বহন করব, তাঁর সংসারের খরচও আমি চালাব।’

তিনি আরও বলেন, ‘এই নির্বাচন পারপাসে লোক মারা যেতে পারে। আমার কর্মী যাঁরা তাঁদের একটা লিস্ট (তালিকা) আছে। এই লিস্টটা করতাছি, এই লিস্টটা আমার কাছে আছে।’

এ বিষয়ে সিরাজদিখান থানার ওসি মোহাম্মদ বোরহান উদ্দিন বলেন, এ রকম কোনো কথা বলে থাকলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

এছাড়া উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা (ইউএনও) শাহিনা ইসলাম চৌধুরী বলেন, ‘এমন বক্তব্য গ্রহণযোগ্য নয়। এখনো কেউ অভিযোগ করেনি, করলে ব্যবস্থা নেব।’

উল্লেখ্য, আগামী ২৩ ডিসেম্বর চতুর্থ ধাপের সিরাজদিখানের ১৪টি ইউনিয়নে নির্বাচনের ভোটগ্রহণ হবে। মনোনয়নপত্র জমাদানের শেষ তারিখ ২৫ নভেম্বর। মনোনয়নপত্র বাছাই ২৯ নভেম্বর, প্রত্যাহারের শেষ সময় ৬ ডিসেম্বর এবং প্রতীক বরাদ্দ হবে ৭ ডিসেম্বর। এই ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন কে পাচ্ছেন, তা এখনো নিশ্চিত হয়নি।

ভালো লাগলে নিউজটি শেয়ার করুন

© All rights reserved © 2011-2025 VisionBangla24.Com
Desing & Developed BY ThemesBazar.Com